প্রেম/ভালোবাসা
এই পৃথিবীটা সৃষ্টি বিগ ব্যাং থেকে হলেও এর সৃষ্টির কারণ হলো-প্রেম।
মুহাম্মদ স: কে আল্লাহ তা’য়ালা এতটাই ভালবেসেছেন, মুহাম্মদ স: কে আজীবন চিরস্থায়ী ভাবে জান্নাতে আল্লাহর প্রতিবেশী করে রাখবেন জন্য এবং পৃথিবীতে মানুষ নামক প্রাণীর দ্বারা আল্লাহর বড়ত্ব ফুটে তুলবেন,মানুষকে তাঁর খলিফা হিসাবে পৃথিবীতে পাঠাবেন আর মুহাম্মদ সা: কে মূলত পৃথিবীতে পাঠাবেন বিধায় এতো আয়োজন অর্থাৎ এই পৃথিবী সৃষ্টি করা। মোট কথা মুহাম্মদ সা: কে পাঠানোই উদ্দেশ্য। কবি বলেন-
মুহাম্মদ কো আগার পয়দা নাহ্ করতে..
আসমাঁ জমীনোঁ পয়দা নাহ্ করতে....
= মুহাম্মদ সা: কে যদি সৃষ্টি না করতেন তবে, আসমান-জমীন কোন কিছুই সৃষ্টি করতেন না।
আল্লাহ তা’য়ালা প্রেম,ভালোবাসা,মায়া এগুলোর সাগর-মহাসাগর বুকে ধারণ করে রয়েছেন। তাই তিনি সমস্ত মাখলুকাতকে অনেক অনেক বেশি ভালবাসেন,মায়া করেন। বিশেষ করে মানুষ নামক এই সৃষ্টিকে তিনি করেছেন সৃষ্টির সেরা, আমরা মানুষ আমরা একেতো সৃষ্টির সেরা অন্যদিকে আমরা সেরা নবীর সেরা উম্মত, যারা কিনা মানুষের মধ্যে আবার উত্তম।
এতোকিছুর পরও প্রত্যেক সেকেন্ডে মহান আল্লাহ তা’য়ালা আমাকে আপনাকে যে পরিমান নেয়ামত তথা অনুদানের মধ্যে ডুবে রেখেছেন তা এখানে বলা বাহুল্য।
“আল্লাহ তুমি দয়ার সাগর,রহমানুর রাহীম,
তোমার দয়ায় পূর্ণ আমার, সারা নিশি-দিন”-আইনুদ্দিন
যখন নিজেকে প্রশ্ন করি, তবে আল্লাহ আমার কাছে কি চান?আমার করনীয় কি?
উত্তর একটাই পাই, আল্লাহ তা’য়ালাকে ভালবাসতে হবে, পূর্ণ মুমিন হতে হবে।
পৃথিবীর মানুষকে ভালবাসলে আপনি তার কাছ থেকে কোন না কোন দিন এমন কষ্টদায়ক আচরন পাবেন যা আপনি কোন দিন আশা করেন নি। কিন্তু আল্লাহকে ভালবাসলে আপনি এমন ভাল আচরন পাবেন যা আপনার কল্পনাও ছিলনা।
পৃথিবীর মানুষকে ভালবাসলে আপনি তার কাছ থেকে কোন না কোন দিন এমন কষ্টদায়ক আচরন পাবেন যা আপনি কোন দিন আশা করেন নি। কিন্তু আল্লাহকে ভালবাসলে আপনি এমন ভাল আচরন পাবেন যা আপনার কল্পনাও ছিলনা।
যখন মনস্থির করলাম তবে আমি আল্লাহকে ভালবাসতে চাই,তিনি এতো বড় দয়ালু, বললেন "কুল ইনকুনতুম তুহব্বিুনাল্লাহা ফাত্যাবউি'নি ইউহ ববিুকুমুল্লাহু ওয়া ইয়াগফরি লাকুম যুনুবাকুম ওয়াল্লাহু গাফুরুর রাহীম "
র্অথাৎ - হে মাহবুব ! আপনি বলে দনি, হে মানবকুল, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবসেে থাক তবে আমার অনুগত্য কর, আল্লাহ্ তোমাদরেকে ভালবাসবনে এবং তোমাদরে গোনাহ ক্ষমা করবনে, আর আল্লাহ্ ক্ষমাশীল, মহা দয়ালু। (সূরা- আল্ ইমরান, আয়াত নং- ৩১) ।
বিভিন্ন আয়াত ও হাদীস শরীফ দ্বারা প্রমানিত যে, নবী সা: এর আনুগত্য ও নবীর সাহাবাদের আনুগত্য মুমিন হওয়ার জন্য একমাত্র পন্থা।
পবত্রি কুরআন ও হাদীস শরীফরে একাধকি র্বণনায় মুমনিদরেকে রাসূল (সা.) এর প্রতি অগাধ প্রমে-ভালবাসা বজায় রাখার কথা বলা হয়ছে।ে
এ সর্ম্পকে আল্লাহ বলনে:
‘‘বল, তোমাদরে নকিট যদি তোমাদরে পতিা, তোমাদরে সন্তান, তোমাদরে ভাই, তোমাদরে পত্নী, তোমাদরে গোত্র, তোমাদরে র্অজতি ধন-সম্পদ, তোমাদরে ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং বাসস্থান -যাকে তোমরা পছন্দ কর- আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও তাঁর রাহে জহিাদ করা থকেে অধকি প্রয়ি হয়, তবে অপক্ষো কর, আল্লাহর বধিান আসা র্পযন্ত, আর আল্লাহ ফাসকে সম্প্রদায়কে হদোয়তে করবনে না (সূরা আত তাওবাহ:২৪)।
তিনি আরো বলনে:
‘‘নবী মুমনিদরে কাছে তাদরে নজিদেরে চয়েওে অধকি ঘনষ্ঠি’’ (সূরা আল আহযাব:০৬)।
নবী (সা.) বলনে:
‘‘তোমাদরে মধ্যে কউে ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ না আমি তার নকিট তার পতিা, সন্তান এবং সকল মানুষরে চাইতে প্রয়ি হই’’ (বুখারী ও মুসলমি)।
আব্দুল্লাহ ইবনে হশিাম (রা.) থকেে র্বণতি। তিনি বলেন:
আমরা নবী (সা.) এর সাথে ছলিাম। নবী (সা.) হযরত ওমর (রা.) এর হাত ধরা ছলিনে। অত:পর ওমর (রা.) রাসূল (সা.)কে বললনে: হে রাসূল আমি আপনাকে সবচাইতে বেশি ভালবাসি তবে আমার নজিরে চাইতে বেশি নয়। নবী (সা.) বললনে: তাহলে হবে না; আল্লাহর শপথ! তোমার নজিরে চাইতওে আমাকে বেশি ভালবাসতে হবে । তখন ওমর (রা.) বললনে: এখন আমি আপনাকে নজিরে চয়েওে বেশি ভালবাসি অত:পর নবী (সা.) বললনে: হে ওমর তাহলে এখন ঠিক আছে’ (বুখারী)।
যদি আমরা বর্ণিত ভাবে রাসুল সা: কে ভালবেসে আমাদের প্রাত্যহিক জীবন অতিবাহিত করি ইনশাআল্লাহ আমরা পূর্ণ মুমিন হিসাবে ইন্তিকাল করতে পারবো। আর ইহজগতে আমরা পাবো প্রশান্তি....
আল্লাহ বলেন,
“হে আদম সন্তান তুমি যদি আমার ইবাদতের জন্য সময় পৃথক কর (ঝামেলা মুক্ত হও) তবে আমি তোমার অন্তরকে (প্রাচুর্য দিয়ে ভরে) প্রশান্তিময় করে দিব, আর যদি তা না কর তবে আমি তোমার অন্তরকে শত শত পেরেশানি দ্বারা ভর্তি করে দিব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর করব না”[তিরমিযী:২৬৫৪; ইবনে মাজাহ:৪১০৭]
আল্লাহ কুরআনে বলেন,
জেনে রেখ (সতর্ক হও), হৃদয়ের প্রশান্তি একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের মধ্যেই।-আল কুরআন
এতো কিছুর পরও যখন আমরা মানুষ নিজেদের কুকর্মকে ঢাকতে আল্লাহকে দোষ দেই,বলি এই সমস্যা, ঐ সমস্যা, এটা হলে ভালো হতো, ঐটা হলো ভালো হতো, তখন আল্লাহ বলছেন
জলে-স্থলে (সবখানে) যে ফাসাদ বা বিশৃংখলা তথা সমস্যা দেখতে পাও, তা তোমাদের মানুষের দুই হাতের (আমলের) কামাই (বদলা)। -আল কুরআন
No comments:
Post a Comment